নোটিশ বোর্ড




















সভাপতির বাণী
মোঃ দিদার হোসেন
সভাপতি
বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম।
পিতাম্বরপুর উচ্চ বিদ্যালয় একটি শিক্ষার আলো ছড়ানো প্রতিষ্ঠান, যা দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। আমি গর্বিত যে, এই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে অংশগ্রহণ করতে পারছি।
শিক্ষা শুধু পরীক্ষা পাশের মাধ্যম নয়, বরং এটি একটি পরিপূর্ণ মানুষ গড়ার প্রক্রিয়া। তাই আমরা শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকি না- নৈতিকতা, শৃঙ্খলা, দেশপ্রেম এবং মানবিক গুণাবলির বিকাশেও আমরা গুরুত্ব দিই।
আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও মানবিক শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থী আত্মবিশ্বাসের সাথে আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে। শিক্ষক, অভিভাবক, পরিচালনা কমিটি ও এলাকার সর্বস্তরের মানুষের সমন্বিত প্রচেষ্টায় আমরা আমাদের লক্ষ্য অর্জনে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
আমি বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং একযোগে বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে সহযোগিতা কামনা করছি।

মোঃ দিদার হোসেন
সভাপতি
বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম।
পিতাম্বরপুর উচ্চ বিদ্যালয় একটি শিক্ষার আলো ছড়ানো প্রতিষ্ঠান, যা দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। আমি গর্বিত যে, এই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে অংশগ্রহণ করতে পারছি।
শিক্ষা শুধু পরীক্ষা পাশের মাধ্যম নয়, বরং এটি একটি পরিপূর্ণ মানুষ গড়ার প্রক্রিয়া। তাই আমরা শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকি না- নৈতিকতা, শৃঙ্খলা, দেশপ্রেম এবং মানবিক গুণাবলির বিকাশেও আমরা গুরুত্ব দিই।
আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও মানবিক শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থী আত্মবিশ্বাসের সাথে আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে। শিক্ষক, অভিভাবক, পরিচালনা কমিটি ও এলাকার সর্বস্তরের মানুষের সমন্বিত প্রচেষ্টায় আমরা আমাদের লক্ষ্য অর্জনে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
আমি বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং একযোগে বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে সহযোগিতা কামনা করছি।
Class Six 2025 Admission
প্রধান শিক্ষক এর বাণী
মোহাম্মদ হোসেন
প্রধান শিক্ষক
সকলে আমরা নয়ন ফুটাই আলো জ্বালি সব প্রাণে।
নব-নব পথ চলতে শিখাই জীবনের সন্ধানে।
পরের ছেলেরে এমনি করিয়া শেষে
ফিরাইয়া দেই পরকে আবার অকাতরে নিঃশেষে।
ঐতিহ্যবাহী পিতাম্বরপুর উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৭৭ ইং সনে নোয়াখালী জেলার, সোনাইমুড়ী উপজেলার দেওটি ইউনিয়নের পিতাম্বরপুর গ্রামে এক মনোরোম ও নিরিবিলি প্রাকৃতিক পরিবেশে প্রতিষ্ঠিত হয়। অত্র বিদ্যালয়টি পাশের হার, জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার এবং ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ে বরাবর উল্লেখযোগ্য ভালো ফলাফল করে আসছে। বিদ্যালয়টি উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে একবার মনোনীত হয়। একটি বিদ্যালয়ের প্রধান ভূমিকা থাকে শিক্ষার্থীর মেধা, মনন ও প্রতিভার বিকাশ সাধন। এক্ষেত্রে শিক্ষা নিয়ামক শক্তি হিসেবে কাজ করে।
শিক্ষা মানব জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। এটি আমাদের মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করে। শিক্ষা না হলে জীবন অসম্পূর্ণ থেকে যায়, শিক্ষার মাধ্যমে মানুষ চারপাশের জগৎ সম্পর্কে জানতে পারে এবং নতুন নতুন পথ চলতে শিখে। শিক্ষা আমাদের জ্ঞান, বুদ্ধিমত্তা, সামাজিক সম্পর্ক এবং চাকরির সুযোগ তৈরি করে দেয়। এটি আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করে এবং নিজেকে আরও সমৃদ্ধ করে। শিক্ষা একটি চলমান প্রক্রিয়া, যা প্রাপ্তির জন্য পরিশ্রম প্রয়োজন। শিক্ষা সামাজিক দায়বদ্ধ নাগরিকের হাতে পৌঁছলে সমাজ আরও উন্নত হতে পারে। শিক্ষিত লোকেরা সমস্যার সমাধান এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে নতুন আবিষ্কার করতে সাহায্য করে। সবশেষে, শিক্ষা সমগ্র মানবজাতির মধ্যে একটি সামাজিক বন্ধন তৈরি করে, যা ন্যায্যতা,প্রাপ্তি এবং মানবিক সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটায়। যা সমগ্র বিশ্বে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং উন্নত সমাজ ও জাতি গঠনে মাইলফলক হতে পারে।

মোহাম্মদ হোসেন
প্রধান শিক্ষক
সকলে আমরা নয়ন ফুটাই আলো জ্বালি সব প্রাণে।
নব-নব পথ চলতে শিখাই জীবনের সন্ধানে।
পরের ছেলেরে এমনি করিয়া শেষে
ফিরাইয়া দেই পরকে আবার অকাতরে নিঃশেষে।
ঐতিহ্যবাহী পিতাম্বরপুর উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৭৭ ইং সনে নোয়াখালী জেলার, সোনাইমুড়ী উপজেলার দেওটি ইউনিয়নের পিতাম্বরপুর গ্রামে এক মনোরোম ও নিরিবিলি প্রাকৃতিক পরিবেশে প্রতিষ্ঠিত হয়। অত্র বিদ্যালয়টি পাশের হার, জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার এবং ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ে বরাবর উল্লেখযোগ্য ভালো ফলাফল করে আসছে। বিদ্যালয়টি উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে একবার মনোনীত হয়। একটি বিদ্যালয়ের প্রধান ভূমিকা থাকে শিক্ষার্থীর মেধা, মনন ও প্রতিভার বিকাশ সাধন। এক্ষেত্রে শিক্ষা নিয়ামক শক্তি হিসেবে কাজ করে।
শিক্ষা মানব জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। এটি আমাদের মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করে। শিক্ষা না হলে জীবন অসম্পূর্ণ থেকে যায়, শিক্ষার মাধ্যমে মানুষ চারপাশের জগৎ সম্পর্কে জানতে পারে এবং নতুন নতুন পথ চলতে শিখে। শিক্ষা আমাদের জ্ঞান, বুদ্ধিমত্তা, সামাজিক সম্পর্ক এবং চাকরির সুযোগ তৈরি করে দেয়। এটি আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করে এবং নিজেকে আরও সমৃদ্ধ করে। শিক্ষা একটি চলমান প্রক্রিয়া, যা প্রাপ্তির জন্য পরিশ্রম প্রয়োজন। শিক্ষা সামাজিক দায়বদ্ধ নাগরিকের হাতে পৌঁছলে সমাজ আরও উন্নত হতে পারে। শিক্ষিত লোকেরা সমস্যার সমাধান এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে নতুন আবিষ্কার করতে সাহায্য করে। সবশেষে, শিক্ষা সমগ্র মানবজাতির মধ্যে একটি সামাজিক বন্ধন তৈরি করে, যা ন্যায্যতা,প্রাপ্তি এবং মানবিক সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটায়। যা সমগ্র বিশ্বে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং উন্নত সমাজ ও জাতি গঠনে মাইলফলক হতে পারে।
Education Corner

Attendence

Attendence

Attendence

Attendence
Important Link
বিদ্যালয়ের ইতিহাস

১৯৭৭ সালের স্বাধীনতাত্তোর পরিস্থিতি অনুধাবন করে এই এলাকার সন্তান সন্ততির জন্য উন্নতমানের শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ব্যাপারে কতিপয় নিবেদিতপ্রাণ অধিবাসী একমত হন। তাঁদের প্রচেষ্টা, অধ্যবসায় ও সেবার ফলে বিগত ৪৮ বছর পিতাম্বরপুর উচ্চ বিদ্যালয়টি বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে সুপরিচিত পেয়েছে।৬ষ্ঠ শ্রেণি দিয়ে শুরু করে উদ্যোক্তাদের প্রচেষ্ঠায় ধীরে ধীরে এটি একটি পূর্ণঙ্গ হাইস্কুলে উন্নীত হয়। গত ৪৮ বছরে উন্নত শিক্ষা পদ্ধতি, মনোরম পরিবেশ, কঠোর নিয়ম-শৃঙ্খলা ইত্যাদি বিবেচনায় এই বিদ্যালয়টি উন্নতমানের বিদ্যালয়সমূহের মধ্যে সম্মানজনক স্থান অধিকার করে নিতে সক্ষম হয়েছে।ঐতিহ্যবাহী পিতাম্বরপুর উচ্চ বিদ্যালয়টি(ইআইআইএন-১০৭৩৭১) নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার দেওটি ইউনিয়নের পিতাম্বরপুর গ্রামে অবস্থিত। বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী মরহুম মোঃ আবুল কালাম আজাদ ১৯৭৭খ্রি. সনে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। এই বিদ্যালয়ের নিবিড়, শান্তিপূর্ণ ও মনোরম পরিবেশে বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে গড়ে তুলতে সর্বদা সচেষ্ট। এখানে সুযোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মনোবিকাশের জন্য চেষ্টা করেন। অত্যন্ত অভিজ্ঞ, পারদর্শী এবং ডিগ্রিধারী শিক্ষকবৃন্দ এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জ্ঞান বিকাশের জন্য অবিরাম চেষ্টা করে চলেছেন। আধুনিক শিক্ষা পদ্ধতির মাধ্যমে পাঠদান উন্নত করার জন্য শিক্ষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ, সেমিনার, ওয়ার্কশপ ইত্যাদির আয়োজন করা হয়ে থাকে। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানে বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক বিভাগ চালু আছে। প্রতিটি বিভাগেই কম্পিউটার শিক্ষাসহ বর্তমান শতাব্দীর চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন বিষয় সন্নিবেশিত আছে। সুপ্রতিষ্ঠিত কম্পিউটার কেন্দ্র, পর্যাপ্ত বইপত্র সমৃদ্ধ লাইব্রেরি, উন্নতমানের ল্যাবরেটরি আছে। শ্রেণিকক্ষে সীমিত সংখ্যক শিক্ষার্থী থাকায় শিক্ষক-শিক্ষিকাগণের আন্তরিক প্রয়াসে জ্ঞান সাধনায় সাফল্য অর্জনের পর্যাপ্ত সুযোগ আছে। পাঠ্যবইয়ের বাইরেও জ্ঞানচর্চা, খেলাধুলা ও অন্যান্য সহপাঠ্যক্রমিক কার্যের ব্যবস্থা আছে। মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ বৃত্তি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা রয়েছে। প্রতিষ্ঠানে উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং নির্মল পরিবেশ বজায় রাখার জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সর্বদা সচেষ্ট। রাজনীতি এবং বহির্চাপ মুক্ত রাখার জন্য বিশেষ প্রচেষ্টা ও পদক্ষেপ নেয়া হয়। মেধা-বিকাশের উপযুক্ত পরিবেশ এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিশেষত্ব।
অনুমতি ও স্বীকৃতি : বিদ্যালয়টি ০১ জানুয়ারি ১৯৮৫ খ্রি. সনে পাঠদানের অনুমতি লাভ করে ও এম.পি.ও ভুক্ত হয়(এমপিও কোড-১১০১২৬১৩০১) এবং মানবিক ও বিজ্ঞান বিভাগসহ ০১ জানুয়ারি ১৯৮৬ খ্রি. সনে নবম শ্রেনী খোলার অনুমতি পায় এবং ১৯৮৮ খ্রি. সনে প্রথম মাধমিক পরীক্ষায় অংশগ্রহনের সুযোগ লাভ করে। বিদ্যালয়টি প্রথম সাময়িক স্বীকৃতি লাভ করে ০১ জানুয়ারি ১৯৮৭ খ্রি. সনে। ব্যবসা শিক্ষা শাখা খোলার অনুমতি পায় ০১ জানুয়ারি ১৯৯৬ খ্রি. সনে। ০১ জানুয়ারি ২০১১ খ্রি. সনে কৃষি শিক্ষা এবং কম্পিউটার শাখা খোলার অনুমতি লাভ করে এবং ০৬ এপ্রিল ২০২২ খ্রি. সনে প্রতিষ্ঠানটিতে আইসিটিডি ডিজিটাল ল্যাব স্থাপিত হয়।
এদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় পিতাম্বরপুর উচ্চ বিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা দিয়েছে উষ্ণ আস্থা, নির্ভরতা ও সাফল্যের পরশ। স্বকীয়তা, নৈপুণ্য, সততা ও সাবলীলতার জন্য এই প্রতিষ্ঠান এদেশের শিক্ষা জগতে ধ্রুবতারা রূপে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতালব্ধ শিক্ষক-শিক্ষিকাগণের সুদক্ষ শিক্ষাদান পদ্ধতির কারণে প্রতি বছর এ প্রতিষ্ঠান, জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় মেধা তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। বিগত ৪৮ বছর ধরে এ প্রতিষ্ঠান সুদক্ষ, সুচারু ও সুপরিকল্পিত শিক্ষাদান পদ্ধতির মাধ্যমে ঈর্ষণীয় সাফল্য নিশ্চিতকরণ ও সঠিক পথ নির্দেশনার ক্ষেত্রে এক গৌরবোজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে আসছে। নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলায় অবস্থিত সমৃদ্ধ এ প্রতিষ্ঠানটি শুধু শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদানই নয় বরং তাদের মানসিক উৎকর্ষ সাধন ও জীবনে প্রতিষ্ঠা লাভের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। শিক্ষার্থীদের পূর্ণ নিরাপত্তা বিধান, যথোপযুক্ত পাঠ্যসূচি ও সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিতকরণে কর্তৃপক্ষ অঙ্গীকারাবদ্ধ। অভিভাবকগণের মূল্যবান মতামত বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে করেছে আরও সতর্ক, সজাগ ও সুদক্ষ। অরাজনৈতিক মনোরম পরিবেশ, উন্নতমানের ল্যাবরেটরি ও ক্লাসরুম এবং কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা বর্তমান সময়ে উদ্বিগ্ন অভিভাবকদের করেছে আশ্বস্ত।
১৯৭৭ সালের স্বাধীনতাত্তোর পরিস্থিতি অনুধাবন করে এই এলাকার সন্তান সন্ততির জন্য উন্নতমানের শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ব্যাপারে কতিপয় নিবেদিতপ্রাণ অধিবাসী একমত হন। তাঁদের প্রচেষ্টা, অধ্যবসায় ও সেবার ফলে বিগত ৪৮ বছর পিতাম্বরপুর উচ্চ বিদ্যালয়টি বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে সুপরিচিত পেয়েছে।৬ষ্ঠ শ্রেণি দিয়ে শুরু করে উদ্যোক্তাদের প্রচেষ্ঠায় ধীরে ধীরে এটি একটি পূর্ণঙ্গ হাইস্কুলে উন্নীত হয়। গত ৪৮ বছরে উন্নত শিক্ষা পদ্ধতি, মনোরম পরিবেশ, কঠোর নিয়ম-শৃঙ্খলা ইত্যাদি বিবেচনায় এই বিদ্যালয়টি উন্নতমানের বিদ্যালয়সমূহের মধ্যে সম্মানজনক স্থান অধিকার করে নিতে সক্ষম হয়েছে।ঐতিহ্যবাহী পিতাম্বরপুর উচ্চ বিদ্যালয়টি(ইআইআইএন-১০৭৩৭১) নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার দেওটি ইউনিয়নের পিতাম্বরপুর গ্রামে অবস্থিত। বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী মরহুম মোঃ আবুল কালাম আজাদ ১৯৭৭খ্রি. সনে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। এই বিদ্যালয়ের নিবিড়, শান্তিপূর্ণ ও মনোরম পরিবেশে বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা সুনাগরিক হিসাবে নিজেকে গড়ে তুলতে সর্বদা সচেষ্ট। এখানে সুযোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মনোবিকাশের জন্য চেষ্টা করেন। অত্যন্ত অভিজ্ঞ, পারদর্শী এবং ডিগ্রিধারী শিক্ষকবৃন্দ এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জ্ঞান বিকাশের জন্য অবিরাম চেষ্টা করে চলেছেন। আধুনিক শিক্ষা পদ্ধতির মাধ্যমে পাঠদান উন্নত করার জন্য শিক্ষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ, সেমিনার, ওয়ার্কশপ ইত্যাদির আয়োজন করা হয়ে থাকে। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানে বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক বিভাগ চালু আছে। প্রতিটি বিভাগেই কম্পিউটার শিক্ষাসহ বর্তমান শতাব্দীর চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন বিষয় সন্নিবেশিত আছে। সুপ্রতিষ্ঠিত কম্পিউটার কেন্দ্র, পর্যাপ্ত বইপত্র সমৃদ্ধ লাইব্রেরি, উন্নতমানের ল্যাবরেটরি আছে। শ্রেণিকক্ষে সীমিত সংখ্যক শিক্ষার্থী থাকায় শিক্ষক-শিক্ষিকাগণের আন্তরিক প্রয়াসে জ্ঞান সাধনায় সাফল্য অর্জনের পর্যাপ্ত সুযোগ আছে। পাঠ্যবইয়ের বাইরেও জ্ঞানচর্চা, খেলাধুলা ও অন্যান্য সহপাঠ্যক্রমিক কার্যের ব্যবস্থা আছে। মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ বৃত্তি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা রয়েছে। প্রতিষ্ঠানে উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং নির্মল পরিবেশ বজায় রাখার জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সর্বদা সচেষ্ট। রাজনীতি এবং বহির্চাপ মুক্ত রাখার জন্য বিশেষ প্রচেষ্টা ও পদক্ষেপ নেয়া হয়। মেধা-বিকাশের উপযুক্ত পরিবেশ এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিশেষত্ব।
অনুমতি ও স্বীকৃতি : বিদ্যালয়টি ০১ জানুয়ারি ১৯৮৫ খ্রি. সনে পাঠদানের অনুমতি লাভ করে ও এম.পি.ও ভুক্ত হয়(এমপিও কোড-১১০১২৬১৩০১) এবং মানবিক ও বিজ্ঞান বিভাগসহ ০১ জানুয়ারি ১৯৮৬ খ্রি. সনে নবম শ্রেনী খোলার অনুমতি পায় এবং ১৯৮৮ খ্রি. সনে প্রথম মাধমিক পরীক্ষায় অংশগ্রহনের সুযোগ লাভ করে। বিদ্যালয়টি প্রথম সাময়িক স্বীকৃতি লাভ করে ০১ জানুয়ারি ১৯৮৭ খ্রি. সনে। ব্যবসা শিক্ষা শাখা খোলার অনুমতি পায় ০১ জানুয়ারি ১৯৯৬ খ্রি. সনে। ০১ জানুয়ারি ২০১১ খ্রি. সনে কৃষি শিক্ষা এবং কম্পিউটার শাখা খোলার অনুমতি লাভ করে এবং ০৬ এপ্রিল ২০২২ খ্রি. সনে প্রতিষ্ঠানটিতে আইসিটিডি ডিজিটাল ল্যাব স্থাপিত হয়।
এদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় পিতাম্বরপুর উচ্চ বিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা দিয়েছে উষ্ণ আস্থা, নির্ভরতা ও সাফল্যের পরশ। স্বকীয়তা, নৈপুণ্য, সততা ও সাবলীলতার জন্য এই প্রতিষ্ঠান এদেশের শিক্ষা জগতে ধ্রুবতারা রূপে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতালব্ধ শিক্ষক-শিক্ষিকাগণের সুদক্ষ শিক্ষাদান পদ্ধতির কারণে প্রতি বছর এ প্রতিষ্ঠান, জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় মেধা তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। বিগত ৪৮ বছর ধরে এ প্রতিষ্ঠান সুদক্ষ, সুচারু ও সুপরিকল্পিত শিক্ষাদান পদ্ধতির মাধ্যমে ঈর্ষণীয় সাফল্য নিশ্চিতকরণ ও সঠিক পথ নির্দেশনার ক্ষেত্রে এক গৌরবোজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে আসছে। নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলায় অবস্থিত সমৃদ্ধ এ প্রতিষ্ঠানটি শুধু শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদানই নয় বরং তাদের মানসিক উৎকর্ষ সাধন ও জীবনে প্রতিষ্ঠা লাভের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। শিক্ষার্থীদের পূর্ণ নিরাপত্তা বিধান, যথোপযুক্ত পাঠ্যসূচি ও সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিতকরণে কর্তৃপক্ষ অঙ্গীকারাবদ্ধ। অভিভাবকগণের মূল্যবান মতামত বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে করেছে আরও সতর্ক, সজাগ ও সুদক্ষ। অরাজনৈতিক মনোরম পরিবেশ, উন্নতমানের ল্যাবরেটরি ও ক্লাসরুম এবং কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা বর্তমান সময়ে উদ্বিগ্ন অভিভাবকদের করেছে আশ্বস্ত।
জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল
- কর্ম পরিকল্পনা/ আদেশ / বিজ্ঞপ্তি
- ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা ও বিকল্প কর্মকর্তা
- ত্রৈমাসিক/ষাণ্মাসিক পরিবীক্ষণ/মূল্যায়ন প্রতিবেদন
- আইন/বিধি/নীতিমালা/পরিপত্র/নির্দেশিকা/প্রজ্ঞাপন
